শীতে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো জেনে নিন

শীতে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো এ বিষয়ে সম্পর্কে যদি আপনি জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্যই। কারণ আজকের পুরো আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে বাচ্চার জন্য কোন লোশন ব্যবহার করবেন সে বিষয়ে সম্পর্কে। নবজাতক শিশুদের ঠান্ডা লাগলে করণীয় কি ও শীতে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো চলুন জানি। 
শীতে-বাচ্চাদের-জন্য-কোন-লোশন-ভালো-জেনে-নিন

শীতের সময় খুব সহজেই কিন্তু নবজাতক শিশুরা ঠান্ডায় আক্রান্ত হতে পারে। এ সময়ে বাচ্চাদের জন্য লোশন ব্যবহার করা হলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে হ্যাঁ এই জন্য আপনাকে সঠিক ব্যবহার করতে হবে। কোন লোশন ভালো হবে প্রয়োজনীয় এ তথ্যগুলো জানতে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। 

পেজ সূচিপত্রঃ 

ভূমিকাঃ

প্রিয় বন্ধুরা আজ আপনাদেরকে ছোট্ট সোনামনির যত্নে ব্যবহারের জন্য কিছু লোশন এবং ক্রিমের কথা বলে দেওয়া হবে। শীতকাল অধিকাংশ সব মানুষই শীতকাল পছন্দ হয়ে থাকে, ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়া, সকালের মিষ্টি রোদ, নানান জাতীয় সবজি এবং বিভিন্ন রকমের পিঠাপুলি। বেশ আমেজের সঙ্গেই কেটে যায় এই শীতকাল। কিন্তু এই শীতকালে খানিক চিন্তা হয় ছোট বাচ্চাকে নিয়ে, তাদের ত্বক অনেক শুষ্ক হয়ে যায়। সময় চিন্তায় পড়তে হয়।

 এছাড়াও কোন লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করানো যায়। কোনটা ছোট্ট সোনামনির জন্য ভালো হবে। কেনাকাটার সময় অনেক দ্বিধাবোধে পড়তে হয়। যে এটা ভাল হবে না এটা ভালো হবে ইত্যাদি এরকম বিষয়। এছাড়াও গরমের সময় বাচ্চাদের জন্য কোন ক্রিম মাখানো ভালো হবে এবং কোন ক্রিমের মাধ্যমে বাচ্চা ফর্সা হতে পারবে। এরকম বিভিন্ন দ্বিধায় পড়তে হয় মায়েদের। 

তাই আজ মায়েদের চিন্তা দূর করার জন্য, ছোট্ট সোনামণিদের জন্য ক্রিম বা লোশন কিনার সময় যেন কোন ঝামেলাতে পড়তে না হয়। এইজন্য এই পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। চলুন নিচে গিয়ে দেখা যাক এ পোস্টে কি কি রয়েছে। 

শীতে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো

প্রিয় বন্ধুগণ আজ আপনাদের জানানো হবে, শীতকালে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো। শীতে বাচ্চাদের জন্য সব মা চিন্তাতে থাকেন। শীতে বাচ্চাদের ত্বক অনেক শুষ্ক হয়ে যায়। মায়েরা যারা শিতে বাচ্চাদের লোশন সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাদের জন্য বলা যায় শীতে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো, এই চিন্তা যদি করে থাকেন তাহলে আপনি প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি লোশন একবার হলেও ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 
জাস্ট ফর বেবি লোশন অলিভ অয়েল ও  অ্যালমন্ড মিল্ক এর নির্যাস থেকে তৈরি করা হয়ে থাকে। এই ক্রিমটি দিনের যেকোনো একটি সময় আপনি বাচ্চাকে ব্যবহার করাতে পারেন। এই ক্রিমটি বাচ্চার ত্বকের ময়েশ্চার লক করে রাখে। বাচ্চার ত্বক সুস্থ রাখতে আপনি বাজার থেকে প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি লোশন  এর ৫০ অথবা ১০০ মিলির যেকোনো একটি কিনে ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 

 এই ক্রিমটি খুব আরামদায়ক বাচ্চার শরীরের জ্বালাপোড়া দূর করে থাকে। এই ক্রিমটি আপনি নিকটস্হ বাজারে যেকোনো কসমেটিকের দোকানে পেয়ে যাবেন। আশা করা যায় এসব ক্রিম ব্যবহারে আপনার বাঁচার ত্বক সুস্থ থাকবে এবং অনেক সুন্দর থাকবে। 

গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন ক্রিম ভালো

শিশুদের ত্বকের সুস্থতার জন্য শিশুর বাবা-মা বোঝে বিভিন্ন রকমের ক্রিম, পাউডার, লোশন ব্যবহার করে। যা শিশুর ত্বকের জন্য ক্ষতিকর কারণ হতে পারে। শিশুর ত্বকে ক্রিম ব্যবহার করার আগে সেই ক্রিমের গুণগত মান সম্পর্কে অবগত হওয়া দরকার। শিশুর ত্বক নরম, তাই যে সে কোয়ালিটির ক্রিম ব্যবহার করলে তা শিশুর ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শিশুর ত্বক নরম ও কোমল রাখবে এমন ক্রিম বাছাই করাটা উত্তম। 
শীতে-বাচ্চাদের-জন্য-কোন-লোশন-ভালো-জেনে-নিন

গরমে বাচ্চাদের জন্য মামায়ার্থের ময়শ্চারাইজিং লোশন, এই লোশন টি শিশুর ত্বকের শুষ্কতা এবং জ্বালাপোড়া রোধ করবে। এই লোশনে যে সকল উপাদান রয়েছে সেগুলো হল এলোভেরা, বাদাম তেল, জোজোবা তেল, শিয়া বাটার ইত্যাদি উপাদান ত্বকে নরম রাখে এবং ত্বককে পুষ্টি যোগায়। মূলত উদ্ভিদ ভিত্তিক বিভিন্ন উপাদান দিয়ে এই লোশনটি তৈরি করা হয়। 

ময়শ্চারাইজিং লোশন, এটি ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত শিশুর ত্বককে আদ্র রাখবে। এটি নবজাতকের ত্বকের জন্য উপযুক্ত একটা ক্রিম। বেশিরভাগ নবজাতকের বাবা-মা নবজাতকের জন্য এই ক্রিমটি পছন্দ করে। কারণ এই ক্রিমটি নরম হালকা যা শিশুর ত্বকের জন্য উপযুক্ত। এই লোশনে দুধের প্রোটিন এবং অ্যালোভেরা রয়েছে যা শিশুর ত্বকে পুষ্টি যোগায়। এই লোশনে গিলিসারিন রয়েছে যা শিশুর ত্বককে নরম এবং কোমল রাখে। এটা ত্বকের জ্বালাপোড়া রোধ করে। শিশুর ত্বক নরম, কোমল, হাইড্রেট রাখতে লোশনটি উপযোগী। 

হিমালয় হারবাল বেবি লোশন, এই লোশনটি শিশুর জন্য খুবই উপকারী। এ লোশনে রয়েছে ভেষজ শক্তির গুনাগুন। এই লোশনে রয়েছে জলপাই তেল ও বাদাম তেল। যা শিশুর ত্বকে সতেজ করে। জলপাই তেল ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। তবে জানা যায় এই ক্রিমটি ত্বকের এলার্জি ও ফুসকুড়ি তৈরি করে। এছাড়াও শিয়া বাটার লোশন, শিশুর ত্বকের সুরক্ষা ও ময়েশচারাইজার জন্য  খুবই কার্যকরী। এই লোশনটি প্রাকৃতিক উপাদানে ভরপুর। এই লোশনে রয়েছে সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী বীজের তেল, গিলিসারিন ইত্যাদি উপকরণ। যা শিশুর ত্বকের জন্য পুষ্টিকর। 

বেবি লোশন কি মুখে ব্যবহার করা যায়

আপনাদের বাচ্চাদেরকে সৌন্দর্য বজায় রাখার জন্য বা সুন্দর রাখার জন্য অনেকে অনেক ভেবে লোশন ব্যবহার করে থাকেন কিন্তু অনেকে হয়তো বা জানেন না বেবি লোশন কি মুখে ব্যবহার করা যায় কিনা। আপনাদের নিজের বাচ্চা আপনাদের কাছে যেন এক অমূল্য রতন কেউ চায় না সেই বাচ্চাগুলো অযত্নে থাকুক অবশ্যই তাদের লাবণ্যময় চেহারা এবং সুন্দর ত্বকের আশা করে সে সকল মায়েরা। তাছাড়াও বাচ্চাদের ত্বকের সুস্থতায় মা-বাবা সবাইকে অনেক সময় অনেক দ্বিধায় পড়তে হয়। বিভিন্ন ক্রিম, লোশন, তেল ইত্যাদির বিষয়গুলো নিয়ে। 
আরো পড়ুনঃ শীতে বড়রা নিজের যত্ন নিবেন যেভাবে
বেবি ক্রিম ময়েশ্চার হিসেবে খুব ভালো কাজ করে থাকে। এই ক্রিমগুলো শুধু শুষ্ক মৌসুম ছাড়া তেমন প্রয়োজন পড়ে না শিশুর ত্বকে ব্যবহারের জন্য। শিশুদের ত্বক অনেক জ্বালা হওয়ার কারণে তাদেরকে বিশেষ কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। যদিও শিশুদেরকে সব সময় পরিষ্কার করে রাখলে তাদেরকে দেখতে এমনিতেই অনেক কিউট লাগে। তবে আপনারা চেষ্টা করবেন যে আপনার সন্তানের জ্বালা শরীরে তেমন কিছু না দেওয়া তা থেকে আপনার সন্তান অনেকটাই সুস্থ থাকবে। বডি লোশন দেহের জন্য অনেক উপকারী। শুষ্ক আবহাওয়ায় এটি দেহে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, এটি ব্যবহারে দেহের শুষ্ক ভাবটা চলে যায় এবং তেলতেলে হয়ে যায়। 

দেহের তুলনায় মুখের চামড়াটা অনেক নরম এবং পাতলা এবং দেহের চামড়াটা কিছুটা মোটা। এছাড়াও মুখের যত্নের জন্য প্রয়োজন এই ধরনের বিশেষ যত্নের। এই যত্ন বডি লোশন মুখে যোগান দিতে পারে না দেহের চামড়া মোটা হয় এতে কোন তাড়াতাড়ি কোনো প্রক্রিয়া হয় না। মুখের ত্বক অনেক পাতলা হওয়ার জন্য তাড়াতাড়ি প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এবং ত্বক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এইজন্য ভালো হবে বডি লোশন মুখের ত্বকে ব্যবহার না করা। 

জনসন বেবি ক্রিম কি কি উপকারিতা দিয়ে থাকে

জনসন বেবি ক্রিম এমনই একটি জনপ্রিয় স্কিন কেয়ার পণ্য, যা শুধু শিশুদের ত্বক নয় বড়দের মাঝেও দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জনসন বেবি ক্রিমে থাকে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান যা শিশুর কোমল ত্বকে সহজে মিশে যায় এবং ত্বককে নরম ও মিশ্রণ রাখে। এটি শিশুর ত্বকে সারাদিন কোমল অনুভূতি বজায় রাখতে সাহায্য করে। শীতকাল হোক বা গরমকাল শিশুর ত্বক খুব দ্রুত শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। জনসন বেবি ক্রিম শুষ্ক ত্বকে একটি প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর তৈরি করে যা ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে এবং খসখসে ভাব দূর করে। 

এই ক্রিমটি ডার্মাটোলজিকালি টেস্টেড এবং পারাবেন ফ্রি হওয়ার এটি এলার্জির ঝুঁকি কমায়। শিশুর ত্বকে কোন রকম রাশ জ্বালাপোড়া বা চুলকানি সম্ভাবনা থাকে না। যদিও জনসন বিবি ক্রিম সরাসরি সানস্ক্রিন নয় তবে এতে থাকা কিছু উপাদান সূর্যের হালকা ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে এটি শিশুর মুখ ও হাতে ব্যবহার করলে ত্বক অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। জনসন বেবি ক্রিমের ঘন টেকচার খুব সহজেই ত্বকে মিশে যায় এবং ত্বকে কোন ছটছটে ভাব ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে আদ্রতা বজায় রাখে। এটি শিশুর পাশাপাশি বড়দেরও মুখে হাতে বা পায়ের শুষ্ক জায়গায় ব্যবহার করা যায়। 
শীতে-বাচ্চাদের-জন্য-কোন-লোশন-ভালো-জেনে-নিন

এই ক্রিমে রয়েছে হালকা ও মিষ্টি সুগন্ধ যা শিশুর জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে। শিশুর ত্বকে এটি ব্যবহার করলে সে আরো শান্ত ও স্বস্তিবোধ করে। জনসন বেবি ক্রিম শুধু একটি সাধারন ক্রিম নয় বরং এটি শিশুদের কোমল ত্বকের একটি নির্ভরযোগ্য বন্ধু। শুষ্কতা দূর করা ত্বকের সুরক্ষায় নিশ্চিত করা এবং আরামদায়ক অনুভূতি দেওয়ার ক্ষেত্রে এই ক্রিম অসাধারণ। এমনকি অনেক বড়রাও এটি মুখে বা হাতে ব্যবহার করে থাকেন তাদের ত্বক কমল রাখতে। তাই আপনার শিশুর ত্বকের সুরক্ষায় প্রতিদিনের যত্নে এই ক্রিম ব্যবহার করা একেবারেই নিরাপদ ও উপকারী। 

বাচ্চাদের জন্য কোন অলিভ অয়েল সবচেয়ে ভালো 

শুষ্ক মৌসুমী বাচ্চাদের ত্বকের জন্য অনেক কিছু ব্যবহার করতে হয় বাচ্চাদের জন্য কোন অলিভ অয়েল সবচেয়ে ভালো এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক মায়েরা রয়েছেন যারা তাদের জন্য অলিভ অয়েল ভালো মনে করেন কিন্তু বাচ্চাদের জন্য কোন অলিভ অয়েল সবচেয়ে  ভালো এটা তো সবাই জানেন না। কেউ কেউ না বুঝে ভালো কোম্পানি না দেখে কিনে নিয়ে আসে এবং এতে বাচ্চার ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। কোন বাবা মা চায়না যে তাদের বাচ্চার ত্বকের ক্ষতি হোক। 

 অলিভ অয়েল খুবই উপকারী যখন এটা খাওয়া হয়। ত্বকের বাহ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়মিত নয় বরং অল্প পরিমাণে অনিয়মিত ব্যবহার করা যাবে। এবং আপনার বাঁচার ৬ মাস পূর্ণ হলে শক্ত/ সলিড খাবারের সাথে অল্প পরিমাণে আপনি অলিভ অয়েল মিশিয়ে দিতে পারেন। খাবার হিসেবে অলিভ অয়েল উপকারিতা অনেক এবং বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে কাজ করে। শিশুর জন্য অবশ্যই এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন। কারণ এটাতেই সবচেয়ে বেশি পুষ্টি থাকে। ক্যামিকেল যুক্ত অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন না। 

এক বছরের আগে বাঁচার ত্বকে যদি ব্যবহার করেন তবে অবশ্যই খুব অল্প পরিমাণ ব্যবহারের দিকে জোর দিবেন। অতিরিক্ত ব্যবহার কখনোই সুখবর ফলাফল বয়ে আনে না। বাচ্চার ত্বকে তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে যদি প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করতে চান তবে সব সময় এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। 

শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুগণ আপনারা আজকে এই পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পেরে গিয়েছেন আপনার ছোট্ট সোনামনির জন্য কোন ক্রিম বা বডি লোশন ভালো হবে, শীত বা গরম দুই সময়ের জন্যই বাচ্চাদের ত্বকের জন্য অনেক সচেতন থাকতে হয়। এটি বাচ্চার দেহ অনেক নরম করে এই নরম দেহের ক্ষতিকারক কিছু ব্যবহার করানো হলে বাচ্চার ত্বকের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এজন্যই এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে সহজ ভাবে বুঝে দেওয়া হয়েছে। 

আপনার বাচ্চার ত্বকের জন্য কোন বডি লোশন ভালো হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এছাড়াও গরমকালে কোন ক্রিম গুলো শিশুর ত্বকের জন্য ভালো হবে এগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও শীতকালে কোন কোন অলিভ অয়েল ভালো হবে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তো বন্ধুরা আপনারা যদি এই পোস্টগুলো প্রতিদিন পেতে চান তাহলে এই ওয়েবসাইটে প্রতিদিন ভিজিট করবেন। এবং শেয়ারের মাধ্যমে অনেকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকবেন ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ট্রিপজয়'প্যালসের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. mominul islam
Md. mominul islam
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও ট্রিপজয়প্যালস এর এডমিন তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।